EIIN - 106060
01309106060
m106060bdm@gmail.com
EIIN - 106060
01309106060
m106060bdm@gmail.com
প্রচ্ছদ / আমাদের সম্পর্কে
আলিম মাদ্রাসা বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ইসলামি ও নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শনাক্তকরণ নম্বর ১০৬০৬০। এখানে ইসলামি শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে ইবতেদায়ি, দাখিল ও আলিম পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ভবানীপুর আলিম মাদ্রাসার অন্যতম লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার পাশাপাশি আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা। নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।
প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কার্যক্রমের মধ্যে পাঠদান, শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ, ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী ব্যবহার, গ্রন্থাগার ও কম্পিউটারভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন শিক্ষামূলক উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশ এবং তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণে শিক্ষকবৃন্দ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বর্তমানে মুফতি মো. আবু মুছা অধ্যক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
আমরা বিশ্বাস করি, দ্বীনি মূল্যবোধ ও আধুনিক জ্ঞানের সমন্বিত শিক্ষাই একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। তাই ভবানীপুর আলিম মাদ্রাসা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে প্রত্যয়ী, যারা জ্ঞান, সততা, নৈতিকতা ও মানবিকতার আলোকে নিজেদের জীবন পরিচালনা করবে এবং পরিবার, সমাজ ও দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরিচালনা পর্ষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভবানীপুর আলিম মাদ্রাসা ভবিষ্যতেও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাবে এবং এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আদর্শ দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে তার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।